শনিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৫
spot_img

ঘূর্ণিঝড়ে সামনে এল দেখা দেয় গ্যাস- বিদ্যুৎ -পানি তিনের সংকট

ঘূর্ণিঝড়ের আসলে ই যেনো লোডশেডিং আরো বেড়ে যায়। শুরু হয় তামাশা। সকালের দিকে কিছুটা ছিল ভারি বাতাস,এটাও বিদ্যুত নিরাপদ রাখার অজুহাতে ভোগান্তির পর্যায়ে নিয়ে যাওযার মত নয়। সকাল থেকে সারাটা দিন বিদ্যুত “এই দিলামতো এই নিলাম” অবস্থা।নগরে গ্যাসের দুর্ভোগতো আছেই।গ্যাস বিদ্যুত পানি- এই তিন যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী। বৃস্টি একটু হলেই ডোবে নগর,নিম্নান্চল।

নগরের চকবাজার এলাকার বাসিন্দা মমতাজ আলী, এক হাতে বাজারের ব্যাগ অন্যহাতে লুঙ্গির গোছা ধরে যাচ্ছিলেন বড় মিয়া মসজিদ এলাকার দিকে।ক্ষুব্ধ কন্ঠে বলে যাচ্ছিলেন ” ঘরত কারেন্ট আইয়ের যার,উঢানত পানি,বেয়াক ছারহার”। বৃস্টি পড়লেও কারেন্ট নেই,বাতাস বইলেও কারেন্ট নেই।

আরও পড়ুন  সন্দ্বীপে পাওনা টাকার জন্য ব্যবসায়ীর হাত-পা ভাঙ্গলো সুদের কারবারি

জামালখানের একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে টাকা উঠাতে যাওয়া টেরিবাজারের তোকানদার গোলাম হায়দার খুব বিরক্ত বতনে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন,পরিচিত ভদ্রলোক মন খারাপ কেন জানতে চাইতে বলেন হায়দার “ভাই বিদ্যুত নাই,পরে আসতে বলল তারা।
এই অবস্থা নতুন নয় গত কয়েকমাস ধরে।গরমেও থাকে না,বৃস্টিতেও থাকে না,থাকে শুধু অসুবিধা – অজুহাত। তাহলে বিদ্যুত কোথায় থাকে? গ্রাহকরা বলে “বিলে”।

চট্টগ্রামের বিদ্যুক বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন সাম্প্রতিক বিদ্যুত পরিস্হিতি কারো অজানা নয়।চাহিদা বেড়ে যায় গরমে,আর ঝড়ে সতর্ক থাকতে হয়।প্রয়োজনের তাগিদেই নিরন্তর সরবরাহ ঠিক রাখা যায় না। কিন্তু বিদ্যুতের থাকা না থাকটা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে না কেন-এটাই গ্রাহকদের প্রশ্ন।

আরও পড়ুন  বাসের বেপরোয়া গতি কেড়ে নিল বাঁশখালীর রিয়াদসহ ৫ জনের প্রাণ

বৃস্টি হলেই ডোবে শহর। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অসমাপ্ত কাজ- ড্রেন নালা থেকে মাটি আবর্জনা তুলে দীর্ঘ সময় স্তুপ করে রাখার ফলে পানি নামতে পারে না। নগরের কাপাসগোলা, বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, চকবাজার, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেইট, ওয়াসার মোড়, তিন পোলের মাথা, মেহেদীবাগ সিডিএ কলোনি এলাকা হাঁটু পানি আবার কোথাও বুক সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। নগরের উপকূলীয় এলাকা পতেঙ্গার আকমল আলী রোড সংলগ্ন জেলেপাড়া জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানার আগেই গ্যাস সেক্টরে বেহাল অবস্থা শুরু হয়েছে। এদিকে স্বাভাবিক সময়ে চট্টগ্রামে সরবরাহ করা হয় ২৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। গতকাল দেওয়া হয় প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এর মধ্যে শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেওয়া ছাড়া গ্যাসনির্ভর সব বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সার কারখানায় সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের প্রবাহে সমস্যা হচ্ছে।

দৈনিক পূর্বকাল/ এইচডি

সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নিযুক্ত সঞ্জয় কুমার সাহা

পূর্বকাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক...

আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক...

পাঠ্যপুস্তক

রতন চন্দ্র পাল, অতিথি লেখক: মানব সভ্যতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ...

ইজারাদারদের দাবি, সাতকানিয়া দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের

অনলাইন ডেস্ক: সাতকানিয়ার দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের দাবী...

সাতকানিয়ার বাজালিয়া ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা

সাতকানিয়া প্রতিনিধি : দীর্ঘ অর্ধ যুগের বেশি সময় পর...
spot_img