সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬
spot_img

জামালখানে সম্ভব না হলেও পূর্ব মাদারবাড়ীতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসনে নতুন পরিকল্পনা চসিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন প্রকল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। স্থান সংকটের কারণে ২১ নং জামালখানের ওয়ার্ডের বান্ডেল কলোনিতে পরিকল্পিত দুটি ভবনের একটি নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় সেটি ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে চসিকের নিজস্ব জমিতে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকায় চলমান মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ পরিদর্শনকালে এ তথ্য জানান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি প্রথমে ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের জে.এম সেন স্কুলের পেছনে বান্ডেল খাল এলাকায় চলমান পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকি করেন। পরে ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বদরখালী খাল (ইসলাম কলোনি) এবং ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট ওয়ার্ডের দক্ষিণ মধ্যম পীতম্বরশাহ এলাকায় অভিযান পরিদর্শন করেন।
এসময় মেয়র বলেন, নগরের বিভিন্ন স্থানে নালা-নর্দমা ময়লার স্তূপে পরিণত হওয়ায় জলাবদ্ধতা তীব্র আকার ধারণ করছে। কিছু অসচেতন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে নালাগুলোকে বর্জ্য ফেলার কেন্দ্রে পরিণত করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। জনসচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়।নাগরিকদের জনসচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, ‘এই শহর আমাদের সবার। বাসা ও দোকানের জন্য আলাদা ডাস্টবিন রাখতে হবে এবং নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে হবে।’ডাস্টবিন চুরির ঘটনাতেও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানান।এ সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন প্রকল্প নিয়ে মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা শহরের নীরব যোদ্ধা। তাদের আবাসন ও মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা চসিকের দায়িত্ব।
তিনি জানান, প্রকল্পটি সংশোধনের পর মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩০৯ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ২০২৩ সালের হালনাগাদ রেট সিডিউল এবং নতুন নকশা অনুযায়ী নির্মাণ ব্যয় উল্লেখ করা হয়।মেয়র আরও বলেন, ‘প্রকল্প এলাকায় বসবাসরত সেবকদের পুনর্বাসনের কারণে কাজ শুরুতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।’
প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে মোট ১,০৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে, প্রতিটির আয়তন প্রায় ৬০০ বর্গফুট। বাস্তবায়ন শেষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত আবাসনে বসবাসের সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, মেয়রের একান্ত সহকারী (রাজনৈতিক) জিয়াউর রহমান জিয়া, একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ

পাঠ্যপুস্তক

রতন চন্দ্র পাল, অতিথি লেখক: মানব সভ্যতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ...

ইজারাদারদের দাবি, সাতকানিয়া দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের

অনলাইন ডেস্ক: সাতকানিয়ার দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের দাবী...

যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নিযুক্ত সঞ্জয় কুমার সাহা

পূর্বকাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক...

আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক...

সাতকানিয়ার কেরানীহাটে আশ্-শেফা স্কুল এন্ড কলেজে নাতে রাসুল (সাঃ) প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

এস এম আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম: পবিত্র রবিউল আউয়াল...
spot_img