নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার পাঠানিয়া গোদা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইটি বিদেশি পিস্তল, ৩০ রাউন্ড তাজা গুলি ও ম্যাগাজিনসহ মো. শুভ (২২) ও মো. সুমন (৩৩) নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ডিবি (উত্তর) বিভাগ। শুক্রবার (২২ মে) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে পাঠানিয়া গোদা গোলাম আলী নাজির সড়কের জাকির হোসেন কন্ট্রাক্টরের ভাড়া বাসায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার মো. শুভ চট্টগ্রামের রাউজান থানার আধার মানিক অলি মিয়ার হাট এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে এবং মো. সুমন একই থানার কদলপুর ইউনিয়নের মৃত বাচা মিয়ার ছেলে।শনিবার (২৩ মে) বিকাল তিনটার দিকে সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান।
উপ-পুলিশ কমিশনার জানান, শুক্রবার রাতে পুরাতন চান্দগাঁও পাঠানিয়া গোদা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ ও রায়হানের দুই সহযোগী শুভ ও সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অস্ত্র ও গুলি থাকার বিষয়টি স্বীকার করলে তাদের দেহ তল্লাশি করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।এ সময় মো. শুভর কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ৮ রাউন্ড তাজা গুলিসহ ১টি ম্যাগাজিন এবং ১৫ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে মো. সুমনের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ৭ রাউন্ড তাজা গুলিসহ ১টি ম্যাগাজিন এবং ১টি পিস্তলের খালি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি নিজেদের হেফাজতে রেখে তারা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নির্দেশে চট্টগ্রাম জেলা ও সিএমসির বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি চাঁদার দাবিতে চন্দনপুরা এলাকায় একটি ব্যবসায়ী গ্রুপের মালিকের বাসায় গুলি বর্ষণ এবং বায়েজীদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় এক যুবককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া রাউজান থানায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি হত্যা মামলা বিচারাধীন রয়েছে।


