শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
spot_img

চংচিং থেকে দেখা চীন: শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার এক নতুন পাঠ

আবু মোহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ : ছোটবেলা থেকেই আমার একটি স্বপ্ন ছিল—বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ, ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রাকে কাছ থেকে জানব। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পড়াশোনা করতে গিয়ে সেই আগ্রহ আরও গভীর হয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ছাত্র হিসেবে আমি বুঝতে শিখেছি, কোনো দেশকে শুধু সংবাদ, বই বা পরিসংখ্যান দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বোঝা যায় না। একটি দেশকে সত্যিকারভাবে জানতে হলে তার মানুষের সঙ্গে মিশতে হয়, তার ভাষার কাছে যেতে হয়, তার সংস্কৃতির ভেতরে প্রবেশ করতে হয় এবং তার দৈনন্দিন জীবনের ছন্দকে অনুভব করতে হয়।
এই ভাবনা থেকেই আমার চীনে উচ্চশিক্ষার যাত্রা। বর্তমানে আমি চীনের চংচিং জিয়াওতং বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত। বাংলাদেশ থেকে চীনে আসার আগে চীন আমার কাছে ছিল উন্নয়ন, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও প্রাচীন সভ্যতার এক বিস্তৃত নাম। কিন্তু চীনে এসে বুঝেছি, চীনকে দূর থেকে দেখা আর কাছ থেকে অনুভব করা এক নয়। এখানে প্রতিদিনের জীবন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, মানুষের আচরণ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সংস্কৃতির গভীরতা আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে।
চীনে আসার প্রথম অভিজ্ঞতাই ছিল আমার জন্য স্মরণীয়। ঢাকা থেকে গুয়াংজু, এরপর গুয়াংজু থেকে চংচিং—নতুন দেশ, নতুন ভাষা, নতুন শহর; স্বাভাবিকভাবেই মনে কিছুটা উদ্বেগ ছিল। কিন্তু চংচিং জিয়াওতং বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর পর আন্তর্জাতিক অফিসের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহযোগিতা আমার সেই উদ্বেগ অনেকটাই দূর করে দেয়। রেজিস্ট্রেশন, মেডিকেল পরীক্ষা, আবাসনসহ প্রাথমিক সব প্রক্রিয়ায় তাঁরা অত্যন্ত ধৈর্য ও দায়িত্বের সঙ্গে সহায়তা করেছেন। বিদেশে নতুন আসা একজন শিক্ষার্থীর জন্য এমন সহায়তা শুধু প্রশাসনিক সুবিধা নয়, মানসিক ভরসারও বড় উৎস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরি জীবন আমার কাছে খুব ইতিবাচক অভিজ্ঞতা। আবাসিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ এবং পড়াশোনার জন্য উপযোগী। ডরমিটরির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো; শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন। বিদেশে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও মানসিক স্বস্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দিক থেকে চংচিং জিয়াওতং বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল শিক্ষাজীবনের পরিবেশ দিয়েছে।
চীনে আমার একাডেমিক অভিজ্ঞতাও বেশ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ক্লাস, প্রেজেন্টেশন ও আলোচনার অভিজ্ঞতা আমার ছিল। তবে চীনে এসে দেখেছি, এখানে শ্রেণিকক্ষে আলোচনা, বিশ্লেষণ, দলগত কাজ ও বাস্তব উদাহরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষকরা শুধু পাঠদান করেন না; তাঁরা শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করতে, মতামত দিতে এবং নিজের চিন্তাকে যুক্তির মাধ্যমে প্রকাশ করতে উৎসাহিত করেন। এমবিএর ক্লাসগুলোতে ব্যবসা, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি, কৌশল, গবেষণা ও বাস্তব সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়গুলোকে অনেক সময় বাস্তব জীবনের উদাহরণের সঙ্গে মিলিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে পাঠ্যবিষয় শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং বাস্তব জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওঠে।
শিক্ষকদের আন্তরিকতা আমার চীনা শিক্ষাজীবনের অন্যতম বড় শক্তি। প্রথম যখন বিভাগে যাই, নতুন পরিবেশে কিছুটা দ্বিধা ছিল। কিন্তু শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলার পর আমি খুবই উৎসাহিত হই। তাঁরা আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন, আমার শিক্ষাগত পটভূমি ও আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং গবেষণার বিষয়ে আমাকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। বিদেশি শিক্ষার্থী হয়েও আমি কখনো নিজেকে দূরের কেউ মনে করিনি; বরং শিক্ষকরা আমাকে একজন শিক্ষার্থী, গবেষণাপ্রত্যাশী ও সম্ভাবনাময় মানুষ হিসেবে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন। এই গ্রহণযোগ্যতা একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়।
চীনে এসে আমার গবেষণার আগ্রহও নতুন মাত্রা পেয়েছে। একাডেমিক লেখালেখি, গবেষণা পদ্ধতি, তথ্য বিশ্লেষণ এবং শিক্ষকের দিকনির্দেশনার মাধ্যমে বুঝতে পারছি, উচ্চশিক্ষা শুধু ডিগ্রি অর্জনের বিষয় নয়; এটি চিন্তার পরিসরকে বড় করার একটি প্রক্রিয়া। বর্তমানে আমি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চশিক্ষা, নৈতিকতা, নগর পরিবহন ও ব্যবস্থাপনা-সম্পর্কিত কিছু একাডেমিক কাজে যুক্ত আছি। এসব কাজ আমাকে শিখিয়েছে, একটি ধারণাকে গবেষণায় রূপ দিতে ধৈর্য, পদ্ধতিগত চিন্তা এবং ধারাবাহিক অধ্যবসায় কতটা জরুরি।
চীনে থাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া। আমি মনে করি, কোনো দেশকে ভালোভাবে জানতে হলে সেই দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিকে বোঝা জরুরি। চীনা ভাষা শেখার প্রতি আমার আগ্রহ আগে থেকেই ছিল; এখানে এসে সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। দৈনন্দিন জীবনে চীনা ভাষা ব্যবহার করার চেষ্টা করি—ক্যাম্পাসে, দোকানে, রেস্টুরেন্টে, বাজারে কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথোপকথনে। ভাষা শেখার মাধ্যমে শুধু যোগাযোগ সহজ হয় না; মানুষের চিন্তা, সৌজন্য, আচরণ ও সংস্কৃতির ভেতরের অর্থও ধীরে ধীরে বোঝা যায়।
চীনা সংস্কৃতির যে দিকটি আমাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে, তা হলো শৃঙ্খলা, সৌজন্য, পরিশ্রম ও সামাজিক দায়িত্ববোধ। চীনা বন্ধুদের সঙ্গে মিশে দেখেছি, তারা সাধারণত আন্তরিক, সহায়ক এবং সম্মানজনক আচরণ করে। ক্যাম্পাসে, ক্লাসে, খেলাধুলায় বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বুঝেছি—ভাষা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু আন্তরিকতা ও বন্ধুত্বের ভাষা অনেকটাই সার্বজনীন। একজন বিদেশি শিক্ষার্থী হিসেবে এই মানবিক সম্পর্কগুলো আমার চীনা জীবনকে আরও সহজ ও আনন্দময় করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক অফিস আমাদের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ ও পরিদর্শনের সুযোগ করে দেয়। এসব ভ্রমণের মাধ্যমে চংচিংয়ের পর্যটন এলাকা, পাহাড়ি সৌন্দর্য, নগরজীবন এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের নানা দিক দেখার সুযোগ হয়েছে। একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে আমি আধুনিক চীনের প্রযুক্তিনির্ভর রূপকে কাছ থেকে দেখেছি। সেখানে ড্রাইভারবিহীন যান, স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ব্যবসা ও অফিস ব্যবস্থাপনায় এআই-এর ব্যবহার, ব্যাংকিং, গুদাম ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, কৃষি উৎপাদন এবং অনলাইন বাণিজ্যের নানা উদ্ভাবনী প্রয়োগ দেখেছি। এসব অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছে, চীনে প্রযুক্তি শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, পরিবহন ও কৃষির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে যাচ্ছে।
চংচিং শহর নিজেও আমার কাছে এক বিশেষ অভিজ্ঞতা। পাহাড়ি শহর হিসেবে এর রাস্তা, সেতু, নদী, মেট্রো, আলো ও নগরজীবন খুবই আলাদা। এখানে গণপরিবহন অত্যন্ত সুবিধাজনক। সাবওয়ে, বাস, অনলাইন ম্যাপ ও ডিজিটাল সেবার কারণে চলাফেরা সহজ। নতুন জায়গায় যাওয়া, পথ খুঁজে বের করা, অনলাইনে পণ্য অর্ডার করা, মোবাইল পেমেন্ট করা—সবকিছু খুব সুশৃঙ্খল ও ব্যবহারবান্ধব। দিন কিংবা রাত—চংচিংয়ে চলাফেরার সময় আমি নিরাপদ বোধ করি। একজন বিদেশি শিক্ষার্থীর জন্য এই নিরাপত্তাবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চীনে দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও আমার কাছে সহজ ও সুবিধাজনক মনে হয়েছে। অনলাইন কেনাকাটা, দ্রুত ডেলিভারি, রেস্টুরেন্টে খাবার, গণপরিবহন, ক্যাম্পাস জীবন—সব মিলিয়ে এখানে জীবনযাপন আধুনিক, নিরাপদ এবং তুলনামূলকভাবে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে কম খরচে ভালো মানের সেবা পাওয়া যায়। সাধারণ মানুষ, দোকানদার, রেস্টুরেন্টের কর্মী কিংবা ক্যাম্পাসের পরিচিত মানুষ—অনেকের কাছ থেকেই আমি আন্তরিক ব্যবহার পেয়েছি। ফলে চীনে বসবাসের অভিজ্ঞতা আমার কাছে শুধু শিক্ষাজীবনের অংশ নয়; এটি একটি নতুন সমাজকে বোঝার বাস্তব পাঠ।
চীনে এসে আমি বাংলাদেশকেও নতুনভাবে ভাবতে শিখেছি। বিদেশে থাকলে নিজের দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, মানুষ ও সম্ভাবনাকে আরও গভীরভাবে অনুভব করা যায়। একই সঙ্গে চীনের উন্নয়ন, প্রযুক্তি, শৃঙ্খলা, ব্যবসায়িক সক্ষমতা এবং শিক্ষা পদ্ধতি থেকে শেখার মতো অনেক কিছু আছে বলে মনে করি। বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক বা বাণিজ্যিক সম্পর্ক নয়; এটি শিক্ষা, ভাষা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি ও মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়েও আরও গভীর হতে পারে।
আমার শিক্ষাগত পটভূমি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আর বর্তমানে আমি ব্যবসায় প্রশাসনে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছি। তাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আমি শুধু রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, ব্যবসা, সংস্কৃতি, ভাষা ও মানবিক যোগাযোগের দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখতে চাই। চীন আজ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও বাণিজ্যকেন্দ্রগুলোর একটি। অন্যদিকে বাংলাদেশও দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সম্ভাবনা অনেক বড়। ভবিষ্যতে আমি এই সম্ভাবনার ভেতরে নিজের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাই।
বিশেষ করে বাংলাদেশ-চীন ব্যবসায়িক সম্পর্ক, আমদানি-রপ্তানি, ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ—এসব ক্ষেত্র আমাকে আকৃষ্ট করে। আমি বিশ্বাস করি, চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে বাংলাদেশি তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও আন্তর্জাতিক সুযোগ তৈরি হতে পারে। ভবিষ্যতে আমার গবেষণা বা থিসিসের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক, ব্যবসায়িক বা সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে। এই আগ্রহ ব্যক্তিগত স্বপ্নের পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও ভালোভাবে বোঝার একটি প্রচেষ্টাও।
আমার কাছে চীনে পড়াশোনা মানে শুধু একটি ডিগ্রি অর্জন নয়; এটি নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার একটি যাত্রা। এখানে আমি শিখেছি সময়ের মূল্য, প্রযুক্তির গুরুত্ব, ভাষার শক্তি, গবেষণার ধৈর্য, ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি সম্মান এবং ভবিষ্যৎকে বড় করে ভাবার সাহস। চংচিং জিয়াওতং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আন্তর্জাতিক অফিস, সহপাঠী, চীনা বন্ধু এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা আমার এই যাত্রাকে সহজ ও সুন্দর করেছে।
ঢাকার বিমানবন্দর থেকে চংচিংয়ের ক্যাম্পাস পর্যন্ত আমার যাত্রা এখনো শেষ হয়নি। বরং মনে হয়, এটি মাত্র শুরু। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি, নতুন মানুষ দেখছি, নতুন ভাবনা তৈরি হচ্ছে। চীন আমাকে শুধু একজন এমবিএ শিক্ষার্থী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও বড় হতে সাহায্য করছে। তাই আমার কাছে চীন শুধু একটি শিক্ষাগন্তব্য নয়; এটি শিক্ষা, প্রযুক্তি, ভাষা, সংস্কৃতি, বন্ধুত্ব, ব্যবসা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল দিগন্ত।লেখক: এমবিএ শিক্ষার্থী, চংচিং জিয়াওতং বিশ্ববিদ্যালয়, চীন, সাবেক শিক্ষার্থী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

সর্বশেষ

পাঠ্যপুস্তক

রতন চন্দ্র পাল, অতিথি লেখক: মানব সভ্যতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ...

ইজারাদারদের দাবি, সাতকানিয়া দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের

অনলাইন ডেস্ক: সাতকানিয়ার দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের দাবী...

যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নিযুক্ত সঞ্জয় কুমার সাহা

পূর্বকাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক...

আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক...

সাতকানিয়ার কেরানীহাটে আশ্-শেফা স্কুল এন্ড কলেজে নাতে রাসুল (সাঃ) প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

এস এম আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম: পবিত্র রবিউল আউয়াল...
spot_img