নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘টিকাদানকারীর মাধ্যমে শিশুর প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা-সুস্থ জীবন ও সুস্থ দৃষ্টির প্রতিশ্রুতি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৯ জুন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ইপিআই টিকাদানকারীদের মাধ্যমে ০-১৫ মাস বয়সী শিশুদের চোখের সমস্যাগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত এবং সময়মতো চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা, যাতে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত থাকে এমনকী অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা যায়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী টিকাদানকারীদের শিশুর চোখের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ, পরামর্শ প্রদান এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে রেফার করার বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রকল্পটি জার্মানির কাকস্ আই সেন্টার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এবং রোটারি ক্লাব অব চট্টগ্রাম খুলশি সেন্ট্রাল-এর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ০-১৫ মাস বয়সী শিশুদের জন্য চক্ষু সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হওয়ায় জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও প্রকল্প আহ্বায়ক কনসালটেন্ট ডা. সোমা রানী রায়, ডা. প্রতিমা মহাজন, ডা. মো. সাজেদুর রহমান, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিম উদ্দিন সবুজ, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. অং সুই প্রু মারমা, পরিচালক ইনচার্জ ডা. মো. বখতিয়ার আলম,অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর (পেডিয়াট্রিক) ডা. রোকসানা আহমেদ,কনসালটেন্ট পেডিয়াট্রিক ডা. মো. কুদরত ই এলাহী, রোটারি ক্লাব অব চট্টগ্রাম খুলশি সেন্ট্রালের ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মো. মহিউদ্দিন, প্রকল্পের সদস্য সচিব বোরহান উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট টিকাদানকারীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচী শেষে ডা. সোমা রানী রায় এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


