শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
spot_img

‘সেদিন পাল্টা আক্রমণ না করলে ইতিহাস অন্যদিকে ঘুরে যেত’

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমার নিজের চোখের সামনে ভাসছে। চার আগস্ট, যেদিন শেখ হাসিনা পালিয়ে যায় তার আগের দিন।এখানে আমাদের জুলাইযোদ্ধারা আন্দোলনের রূপরেখা ফাইনালি বলেছে- আজকে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে। সেদিন শেখ হাসিনার স্বৈরাচার বাহিনী বলেছিল, ৫ মিনিটের মধ্যে তোমাদের তাড়িয়ে দেব।তারপর সিটি কলেজ ও ডিসি সাউথ মোস্তাফিজের নেতৃত্বে দুইদিক থেকে আক্রমণ করা হয়েছিল। আমাদের জুলাইযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে ভারী অস্ত্র কাটা রাইফেল, কিরিচ দিয়ে আঘাত করা হলো।তারা যখন পিছু হটছিল ঠিক তখনই রিয়াজউদ্দিন বাজারের শ্রমিকরা, জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলসহ অন্যান্য দলের নেতা-কর্মীরা সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন। জুবিলি রোড থেকে আমতল নিউমার্কেটে সেদিন অস্ত্রের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ না করলে ইতিহাস অন্যদিকে ঘুরে যেত।
সাহসিকতার সাথেই কিন্তু সেদিন চট্টগ্রাম বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছিল। সেদিন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধ করেছিল। আজ আমরা বৈষম্য দেখতে পাচ্ছি। দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে চাই, চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিমের নাম নেই। জুলাইযোদ্ধারা ক্ষতবিক্ষত। অনতিবিলম্বে এ নাম সংযোজন করতে হবে। চট্টগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন সবার নাম সংযোজন করা উচিত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে নিউমার্কেট মোড়ের রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণকালে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন। এ সময় চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই চট্টগ্রাম থেকে ‘আই রিভোল্ট উই রিভোল্ট’ বলে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের ছাত্রনেতারা সামনের সারিতে থেকে ভূমিকা রেখেছে। একইভাবে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে আমরা দেখেছি ১৬ জুলাই সারাদেশে সেদিন আবু সাঈদসহ ছয়জন শহীদ হয়েছিলেন। সেদিন চট্টগ্রাম থেকে তিনজন শহীদ হয়েছিলেন। ওয়াসিম আকরাম জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন গর্বিত সৈনিক, আমার সঙ্গে রাজনীতি করেছে।
তিনি বলেন, তারা শহীদ হয়েছেন, তারা তাজা প্রাণ ঢেলে দিয়েছেন। আমরা ঐক্যবদ্ধতার জায়গায় আনতে চাই। আজ ঐক্যবদ্ধতার বড় অভাব। আমরা আজ ঐক্যবদ্ধ নেই। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান জুলাই-আগস্টের চেতনা ধারণ করে জুলাইযোদ্ধাদের যেভাবে পুনর্বাসন করছেন, শহীদ পরিবারের বাড়িতে যাচ্ছেন, খোঁজ নিচ্ছেন, পুনর্বাসন করছেন সেটি আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক। আমরা সবাই মিলে তাদের পাশে থাকতে হবে। জুলাই আগস্টের বিপ্লবে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে আমাদের অবশ্যই দেখভাল করতে হবে। পুনর্বাসন করতে হবে। শহীদ পরিবারকে পুনর্বাসন করতে হবে। সেদিন আমি ওয়াসিম আকরামের কবর জেয়ারতে গিয়েছিলাম। সেদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন কবর জিয়ারত করেছেন। সেখানে স্পষ্ট বলেছিলেন তাদের পরিবারকে পুনর্বাসন করছেন। ইতিমধ্যে আহতদের সাহায্য করেছেন।

সর্বশেষ

পাঠ্যপুস্তক

রতন চন্দ্র পাল, অতিথি লেখক: মানব সভ্যতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ...

ইজারাদারদের দাবি, সাতকানিয়া দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের

অনলাইন ডেস্ক: সাতকানিয়ার দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের দাবী...

যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নিযুক্ত সঞ্জয় কুমার সাহা

পূর্বকাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক...

আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক...

সাতকানিয়ার কেরানীহাটে আশ্-শেফা স্কুল এন্ড কলেজে নাতে রাসুল (সাঃ) প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

এস এম আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম: পবিত্র রবিউল আউয়াল...
spot_img