নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরের হালিশহর এলাকায় গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে সাত বছরের শিশু মাহফুজকে হত্যা এবং হত্যা পরবর্তী মরদেহ গুম করার প্রায় ১০ বছর পর ১২ জনের সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। এ মামলার আসামি মো. আল আমিনকে (৪৪) হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা এবং আলামত গোপন ও লাশ সরিয়ে ফেলার অপরাধে তাকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নিশাদুজ্জামান এ রায়ের তথ্য নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শহীদুল ইসলাম।দণ্ডপ্রাপ্ত আল আমিন (৪৪) কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার কারপাশা পুতিহারা এলাকার মৃত জিন্নাত আলীর ছেলে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘১২ জনের সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত মো. আল আমিনকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় অপরাধের আলামত গোপন ও লাশ সরিয়ে ফেলার অপরাধে তাকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকালে নগরের হালিশহর থানার গলিঢিপাপাড়া টোল রোড এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে মো. মাহফুজকে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে হত্যার ঘটনা গোপন করতে তার মরদেহ পাশের বেড়িবাঁধের খালে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শিশু মাহফুজের বাবা মো. মাহাবুব হালিশহর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে ২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।


