অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হেলথ কার্ড চালু এবং এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক, হাসপাতাল, মেডিক্যাল ও নার্সিং কলেজকে সম্পৃক্ত করে প্রশিক্ষিত ভলান্টিয়ার ও নার্সদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর এই ভিশন বাস্তবায়নে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের উদ্যোগে গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি রেড ক্রিসেন্টের স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় পরিচালিত জরুরি ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন।
বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, সাম্প্রতিক বন্যার কারণে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে বাঁশখালীর মানুষ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও জীবিকার উৎস হারিয়েছে।এ অবস্থায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু সরকারের নয়, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যক্রমের প্রশংসা করে শামীম বলেন, দুর্যোগের শুরু থেকেই সংগঠনটি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে।
বিশেষ করে যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গম এলাকায় খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শুধু বাঁশখালী নয়, সাতকানিয়া, বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজারের চকরিয়াসহ দুর্যোগপ্রবণ বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, বন্যার পানি নেমে গেলেও প্রকৃত চ্যালেঞ্জ এখন পুনর্বাসন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিয়েছেন। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে বিএনপি রয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় বোর্ড সদস্য ডা. সারওয়ার আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা এবং গ্রামীণফোন বাংলাদেশের কর্মকর্তা সানজানা নূর। উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কামরুল ইসলাম হোসাইনী, জেমিসন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. আছিফ চৌধুরী, সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম, কমিটির জাহাঙ্গীর আলম বাবর, রায়হানুল আনোয়ার রাহী, ইউনিট লেভেল অফিসার জিয়াউল হক জিয়া, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা।


