নিজস্ব প্রতিবেদক: চলন্ত ট্রেনে তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার যুবকও ট্রেনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মী বলে জানিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ। সিলেট থেকে চট্টগ্রামমুখী ট্রেনে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন।
বৃহস্পতিবার সকালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার আব্দুর রউফ রাসেল (২৮) উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এস এ করপোরেশনের কর্মচারী।
এদিকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) আবদুর রহিমকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ট্রেনে এস এ করপোরেশনের খাবার সরবরাহ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহীদুল ইসলাম বলেন, চলন্ত ট্রেনে ধর্ষণের অভিযোগে ওই তরুণী চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তিনজনকে অভিযোগ পাবার পরেই তাৎক্ষণিকভাবে গত বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরেকজনকে আজ নোয়াখালী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার শিকার বিশ বছর বয়সী তরুণীর বাড়ি বান্দরবান জেলায়। তিনি আত্মীয়ের সঙ্গে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় থাকেন বলে জানা গেছে।
রেল পুলিশ জানায়, ভৈরব স্টেশন থেকে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠেন ওই তরুণী। ট্রেনে তিনি খাবার ও আসবাব রাখার জন্য সংরক্ষিত বগিতে অবস্থান করছিলেন। ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে তিনি ধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ করে থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় গ্রেফতার তিনজনকে বুধবার বিকেলে আদালতে হাজিরের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। আক্রান্ত তরুণীকে পুলিশ হেফাজতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
