এস. এম ফরিদুল আলম : অত্যন্ত উদ্বেগের ও দুঃখের সংগে লক্ষ করে আসছি স্থানীয় বিভাগীয় ও জেলা ভিত্তিক দুর্নীতি দমনকে পর্যাপ্ত ক্ষমতাহীনতার অবস্থা প্রত্যক্ষ করছি। যেমন বিগত বছরেও এবং অতি সম্প্রতিতে সরকারী জমি আত্নসাতের বিষয়ে স্থানীয় পত্রিকায় নিউজ হয়েছে এবং জালিয়াত গ্রুপ জালিয়াত কাগজ সৃজনে মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে সরকারী প্রতিনিধিকে হাত করে নানা ভূঁয়া কাগজ সৃজনে আত্নসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ অভিযোগ স্থানীয় লোকজন বিভাগীয় পরিচালক চট্টগ্রাম মহোদয়কে তাৎক্ষনিক তদন্তে ইতিবাচক আইনানুগ হস্তক্ষেপের জন্য অভিযোগ পেশ করেছেন। এটা প্রাপ্তির পর ভিকটিমকে জানানো হয়েছে এ ব্যাপারে আমরা দুদক প্রধান কার্যালয় ঢাকায় প্রেরণ করবে। কেন্দ্রীয় প্রশাসনের নির্দেশনা পেলে কাজ করবো বলে জানান। আমার কথা হলো আবেদনকারী অত্যন্ত নিরীহ ও দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল বিধায় লীজি হিসেবে তামাদি দবতামাদির উর্দ্ধকাল ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে এপি ০৮/৮৭-৮৮ ইং মূলে লীজ প্রাপ্তি এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় লীজ নবায়নে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের দখল সমুন্নত রেখে লীজগণ ভোগ দখলে স্থিত আছেন। যথা জালিয়াত গ্রুপ নানান জালিয়ত কাগজ সৃজনে লীজিদের বেদখল করে গুন্ডা, সান্ডা, থানা পুলিশ দিয়ে মারধর করে সাড়ে তিন যুগের অধিককাল ধরে যথাযথভাবে আইনানুগভাবে ভোগ দখলে স্থিত লীজিগণকে সরকারী জমি হতে বে-দখলের নানান অপকৌশল অবলম্বনে বেদখলের জন্য উপর্যুপুরী হুমকি দিয়ে অবর্ণনীয়ভাবে হয়রানী করে চলেছে। নিরীহ মানুষের বক্তব্য ও দাবী হলো জালিয়াত গ্রুপের নানান জালিয়াত কাগজ পত্রাদির প্রমাণ সহ যেহেতু স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সমীপে অভিযোগ পেশ করা হয়েছে সেহেতু এত বড় দুর্নীতির ব্যাপারে তিনি জরুরী ভিত্তিতে সহকর্মীদের যথাযথ তদন্তে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়াটা বৃহত্তর জনস্বার্থে অপরিহার্য। অথচ উনার বক্তব্যে নিরীহ আবেদনকারীগণ অসহায় হয়ে পড়েছেন। এত বড় কর্মকর্তা যদি এতবড় দুর্নীতির বিষয়ে তাৎক্ষনিক ইতিবাচক হস্তক্ষেপে অপরাগতা প্রকাশ মানে নিরীহদের অবস্থা বা সহজে যে কোন প্রকার দুর্নীতি দমনে ত্বড়িৎ ইতিবাচক হস্তক্ষেপের দরজা বন্ধ হয়ে গেলনা নাকি? নিরীহদের আরো বক্তব্যও দাবী হলো সবকিছুর নির্দেশ যদি ঢাকা থেকে পাওয়ার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অপেক্ষা করতে হয় তাহলে কথায় আছে রোগী বেঁচে থাকতে যদি রোগীর চিকিৎসা করা না যায় তাহলে রোগী মারা যাওয়ার পর ডাক্তার ডেকে লাভ কি অবস্থা নয় কি? বিজ্ঞ ও অভিজ্ঞ জনের অভিমত হলো দুর্নীতি ছোট হোক বড় হোক দুর্নীতিকে ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই। আমার এ বয়সে আমি ছেলে প্রকৌশলী ড. আরিফ মঈনুদ্দিন ছিদ্দিকীর সুবাদে অনেক দেশ ঘুরেছি এবং অনেক কিছু প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয়ের উপর স্থানীয় জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে নিয়মিত লেখালেখি করে চলেছি। আমার ভাষ্য হলো আইন সবার জন্য সমান। আইনের অনুশাসন সবাইকে মেনে চলতে বাধ্য। কেউ দুর্নীতি ও অনিয়ম অন্যায় করে, নিরীহদের উপর জুলুম করে কোনো অবস্থাতেই পার পাওয়ার সুযোগ নেই। লক্ষ্য করেছি কালো টাকার মালিকও ক্ষমতাসীন দলের লোক হলে দুর্নীতি করে বেঁচে যাওয়ার অপচেষ্টা প্রতিনিয়ত চোখে পড়েছে। দেখা গেছে ক্ষমতায় ছিল কোনো প্রপার্টি মটগেছ না দিয়ে গুডউইলের ভিত্তিতে ব্যাংক থেকে টাকা ঋন নিয়ে ঐ টাকা ব্যাংক আদায় করতে পারছেনা। অর্থ ঋন আদালতে মামলা করে টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করে তাও অনেক কথা। জুলুমবাজদের নানান নিপিড়ন, সরকারী জমি আত্নসাত, ঘুষ, দুর্নীতি নানা অপর্কম করেও বহাল তবিয়তে থাকতে অনেক ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়েছে। যেমন ভূমি মন্ত্রনালয় স্মারক নং-৩১.০০.০০০০.০৪৫.০৫৭.১৮.২৪৮/১(২) তাং-০৫/১১/২০২৩ ইং মূলে আবেদনের প্রেক্ষিতে মাননীয় জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম মহোদয়কে মতামত সহ প্রতিবেদন প্রেরণের নির্দেশ প্রদানের প্রায় ১৬০ দিনেও সহকর্মীগণ কর্তৃক উক্ত স্মারক চিঠি অদ্যাবধি কেন উপস্থাপন করেননি এবং এব্যাপারে কোন দৃশ্যমান ইতিবাচক হস্তক্ষেপও পরিলক্ষিত হচ্ছেনা তা বোধগম্য নয়। জানিনা আরো কতদিন অপেক্ষা করলে উক্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে ভূমি মন্ত্রনালয় ঢাকায় পৌঁছাবে। আবেদনকারীকে অনেকে বলছেন যে সব ব্যক্তি বসে আছেন কেরানী থেকে উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত। এখানে যাওয়ার পরে আপনার মনেই হবেনা তারা কোন সেবা প্রদানকারী সংস্থা। মুখ গোমড়া করে মারমুখো অবস্থায় বসে আছেন সবাই। আপনি তাদের সংগে কথা বলার পর প্রথমেই এমন অবস্থা করা হবে, আর আপনি যে কাজের জন্য সেখানে গেছেন, সেটা করা তাদের পক্ষে অসম্ভব। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমন কথা বলতেন সূর্য্য পশ্চিম দিক থেকে উঠিয়ে দিতে পারবে, পূর্বদিকে অস্তমিত করাতে পারব্ েতবে আপনার কাজটি তার চেয়েও কঠিন। এটা প্রায় অসম্ভব। ঘাটে ঘাটে নির্দিষ্ট চাঁদা আছে। কেরানী সাহেবের জন্য ধার্য্য আছে নির্দিষ্ট অংকের টাকা। পরের ধাপের জন্য একটু বেশি পরিমানের, এর পরের ধাপের জন্য আরেকটু বেশি পরিমানে। এ রকম তিন চার ধাপ পার হওয়ার পরে আপনার কাজ হতেও পারে তবে নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিতেই হবে। অফিসের কর্তা ব্যাক্তিরা নাম দিয়েছেন স্পীডমানি। এর অনেক ঘটনা প্রত্যক্ষ হয়েছে। তবে সেদিকে যাচ্ছিনা, আমার কথা হলো
যদি স্থানীয় দুর্নীতি দমন কমিশন যদি স্থানীয় নিরীহ জনসাধারণের যে কোন দুর্নীতির অভিযোগ প্রাপ্তির পর পরই যদি দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক ইতিবাচক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারে বা বিলম্বিত হয় তাহলে স্থানীয় দুদক অফিস থাকাটা কতটুকু যৌক্তিকতা রয়েছে তাও বোধগম্য নয়। যদি সমাজের নিরীহ সাধারণ জনগন কালো টাকার মালিক ও ক্ষমতাসীনদলের রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের অবর্ননীয় জুলুম দুর্নীতি হতে তাৎক্ষনিক পরিত্রান পাওয়ার উপায় কি? দয়া করে বলবেন কি? অভিজ্ঞ মহলের বক্তব্য ও দাবী হলো কোনো দুর্নীতিকে ছোট করে না দেখে যে কোনো দুর্নীতি দ্রুত প্রতিরোধে স্থানীয় দুদক তাৎক্ষনিক স্থানীয় নিরীহ আবেদনকারীগণের অভিযোগ প্রাপ্তির পর পরই দ্রুত বিহীত আইনানুগ ভাবে স্থানীয় তদন্তের মাধ্যমে সহজে ব্যবস্থা নিতে পারে তাহলে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের যে কোন দুর্নীতি বা দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম দাপট অনেকাংশে কমে আসবে। সকলেই আইনের অনুশাসন মানতে বাধ হবে। সমাজে ও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হব। দেশের নিরীহ মানুষও শান্তি ও স্বস্তিতে স্ব-স্ব বৈধ আয় রোজগার করে আয় উপার্জনে জনগন মনোনিবেশ করতে বাধ্য হবে। পুরো দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকবে এবং স্থানীয় অভিযোগের বার্তাগুলো ও ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ের দপ্তরে বস্তাবন্দি করে পাঠাতে হবে না এবং স্থানীয় দুদক অফিসও কাজ কর্মে সরব থাকবে বলে আমার বিশ^াস। এ বিষয়ে বলতে গেলে আমার জানামতে অসংখ্য দুর্নীতির তথ্য আমার কাছে রয়েছে কিন্তু স্বল্প সময়ে বলা সম্ভব নয়। সংক্ষেপে সোজা কথা হরো স্থানীয় ও বিভাগীয় দুর্নীতি দমন কমিশনকে পর্যাপ্ত ক্ষমতা প্রদান করুন। অর্থাৎ নিরীহদের অভিযোগ প্রাপ্তির পর পরই যেন তারা নিরীহদের স্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে দুদক আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে যত বড় দুর্নীতিবাজ, রাজনীতিবিদ, আমলা না যত বড় দুর্নীতিবাজ রাঘব বোয়াল হোক না কেন? তারা যেন দ্রুত কাজ করতে পারে সে নির্দেশনা জনস্বার্থে প্রদান করুন। স্থানীয় দুদক কর্মকর্তা যদি নখ দন্তহীন ব্যাঘ্রের মত করে বসিয়ে রাখা হয় তাহলে তাদের পিছনে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ ব্যয় করার কোনো মানে হয় না। আইন সবার জন্য সমান। সবাইকে আইনের অনুসাসন মেনে চলতে বাধ্য। জজ, ব্যারিষ্টার, সাংবাদিক, আইনজীবি, এমপি, মন্ত্রী যে যত বড় দুর্নীতিবাজ ক্ষমতার মালিক হোক না কেন দুর্নীতি করলে কোন ছাড় নেই। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী প্রায়শই বলতে শুনেছি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরোটলারেন্স। তাহলে ভয় কি? যে কোন দুর্নীতিবাজ দেশ ও জাতীর শত্রু। সুতরাং তার দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হলে বিভাগীয় ও জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনকে আইনানুগ ভাবে তাৎক্ষনিক কাজ করার পর্যাপ্ত ক্ষমতা দিন। তাতে সরকারের ভাবমুর্তি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। এখানে একটি দুর্নীতির তথ্য দিয়ে বলছি তাহলো সরকারী সম্পত্তি আত্নসাতের অপচেষ্টা কারীদের অপকর্মের এমন জঘন্য অপরাধ কিভাবে স্থানীয় দুদক জেনেও কাজ করছে না তা বোধগম্য নয়। তাহলো সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বিলাস চন্দ্র গংদের কর্তৃক সৃজিত ভূয়া দলিল নং-১৬৭৮ তাং-০১/০৪/১৯৬৮ ও ১২৪০ তাং-০৮/০৩/১৯৭০ দ্বয় এবং ভূয়া আমমোক্তারনামা নং-১৫৫১৪ তাং-১৫/০৩/২০০৮ ও ১৬৫৯৭ তাং-১৬/০৯/২০১২ ফেরবী বায়না নামা নং-১৫৯৯৬ তাং-২০/১০/২০০৮ ৪০৩৮ তাং-০৯/০৩/২০১৫ দলিল সৃজনে ভূমি দস্যুগণ আত্নসাতের অপচেষ্টায় রত। এ ব্যাপারে সরকারী প্রতিনিধির যথাযথ ভূমিকা না থাকার কারনে এ সরকারী সম্পত্তি বেহাত হতে পারে তৎজন্যও স্থানীয় দুদককে ইতিমধ্যে অভিযোগ পেশ করেছেন ভিকটিমগণ। কিন্তু দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশ না পেলে স্থানীয় দুদক কর্তৃপক্ষ কোন কাজ করবে না বলে সাফ জানিয়েছেন। তাতে অভিযোগকারীগণ হতাশায় ভূগতেছেন। উপায়ন্তর না দেখে ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে স্থানীয় দুদককে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চেয়ারম্যান দুদক প্রধান কার্যালয় ও ভূমি মন্ত্রী মহোদয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ও বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম মহোদয় ও জেলা প্রশাসক মহোদয় চট্টগ্রামকে অবহিত করা হয়েছে। এতবড় দুর্নীতিকে স্থানীয় দুদক কর্তৃপক্ষ অনেকটা অবহেলার চোখে দেখছেন কেন তাও কোনোমতেই বুঝতে পারছিনা। যথা উপরোক্ত তথ্য গুলো চট্টগ্রাম জেলার সাব রেজিষ্টার অনুসন্ধানে ও এর হোতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে বাধ্য এবং সরকার ও কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের একটা সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে বৈকি। প্রসঙ্গ বলতে চাই চসিক মশার ঔষধ কবে দিয়েছে জানা নেই। গত তিন বছর পূর্বে মশার ঔষধ ভেজাল বলে চবি পরীক্ষাগারে প্রমানিত হলেও সে বিষয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা দেখা যাচ্ছেনা। অথচ মশার উৎপাতে জনজীবনে দুর্বিসহ অবস্থা বিরাজমান, নানান ব্যধি সৃষ্টি হয়েছে। ঐ বিষয়টি যদি কোন নিরীহ পাবলিকের দ্বারা হতো তাহলে অস্তিত্ব থাকতো কিনা সন্দেহ ছিল। আর জম্মস্থান বাঁশখালীর কদম রসুল ও প্রেমাশিয়া এবং আনোয়ারা অন্যান্য অঞ্চলের বিধ্বস্থ বেড়িবাঁধের সংস্কারের জন্য শেখ হাসিনার সরকার কর্তৃক যে অর্থ বিগত দিনে বরাদ্দ দিয়েছিলেন তা যদি যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন হতো বা সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সংস্কার করা হতো তাহলে অনেকটাই দুর্নীতিমুক্ত ভাবে কাজ হতো এবং জনগনও সত্যিকার সুফল পেত, স্থানীয় দুদক যদি কাজ করতে পারতো। মোট কথা দুর্নীতি করে কেউ পার পেতোনা দীর্ঘ ৩৪ বছরেও স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ না করায় কদম রসুলে নবনির্মিত বাঁধ ধ্বস দেখা দেওয়ায় এখন মহা আতংকের মধ্যে দিন অতিবাহিত করছে উপকূল বাসী। কারণ ইতিমধ্যে ২টি ঘূর্ণিঝড়ের আভাস এসেছে। বর্তমানে আমাদের
বাংলাদেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার ৪৯টি উপকূল বাসীর জন্য সামনে দুর্দিন অপেক্ষা করছে। এখানে সকলের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, সরকার বাহাদুর পিও ১৬/৭২ এর অনুবলে আর্টিকেল ২৫ এর বিধান মতে এপি ০৮/৮৭-৮৮ ইং মূলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষনা করে লীজিদের দখল হস্তান্তর করে লীজ হোল্ডার গণ লীজ নবায়নে পৌরকর সহ ইউলিটি বিল প্রদানে ভোগ দখলে স্থিত আছেন। হঠাৎ ভূমি দস্যুগন উক্ত জমি জাল কাগজে গ্রাসে তৎপর। অভিজ্ঞ মহলের বক্তব্য ও দাবী হলো সরকার যদি স্থানীয় দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগ গুলো স্থানীয় দুর্নীতি দমন অফিসকে কাজ করার জন্য স্ব উদ্যোগে ন্যায়নীতি ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রকৃত অপরাধী সনাক্ত করে যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে তাহলে সমাজ থেকে স্থায়ীভাবে দুর্নীতি কমতে বাধ্য এবং জমি জমার জালিয়াত সংক্রান্ত ঘুষ দুর্নীতির মামলাগুলোই যদি স্পেশালী দেখে তাহলে দেখবেন বাংলাদেশের নিম্ন আদালত থেকে সর্বোচ্চ সুপ্রীম কোট পর্যন্ত মামলার জট ৮০ ভাগ নিঃসন্দেহে কমে আসবে বলে বিশ^াস। এক সময় থানা পুলিশের ঘুষ দুর্নীতির অপবাদটি বেশী ছিল বটে এখন কিন্তু সরকারী, আধা সরকারী, স্বায়িত্বশাসিত বিভিন্ন অধিদপ্তর সকল সংস্থাই নানান ভাবে দুর্নীতির ছক একে সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত হয়রানী করে চলছে। তা কিন্তু ভূক্তভোগীরাই ভালো জানেন। বাঁশখালীতে দেখলাম ইউপিতে আরবিটেশনে হাজিরা দিতে গেলে ধার্য্য তারিখে নিরীহদেরকে প্রতি মামলায় চেয়ারম্যানের সচিবকে ১০০/২০০ করে ঘুষ দিতে বাধ্য করে কোটেও তাই হচ্ছে। এটা ওপেন সিক্রেট। ঠিক সর্বত্রই এভাবে নিরীহ মানুষ প্রতিনিয়ত নানানভাবে অবর্ননীয়ভাবে হয়রানীর শিকার। এগুলো দেখতে স্থানীয় দুদক অফিস যথেষ্ট। ঢাকায় প্রধানদের দেখার কথা না। স্থানীয় দুদক প্রশাসন দেখবে তাৎক্ষনিক আইনানুগ ইতিবাচক হস্তক্ষেপ। স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত সংস্থা গুলোতে বেশি অনিয়ম বিধায় এগুলো দেখতে স্থানীয় দুদককে সুযোগ দিন। তাই বলছি বৃহত্তর জনস্বার্থে জনকল্যানে আপামর জনগনের শান্তি ও স্বত্বির জন্য এখনই স্থানীয় দুদককে সরাসরি কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করুন। স্থানীয় শক্তিধর নিপিড়ন কারীদের কবল থেকে নিরীহ মানুষকে রক্ষা করতে হলে স্থানীয় দুদকের সহায়তার বিকল্প নেই। একটি পত্রিকায় নিউজ হতে প্রাপ্ত তথ্যমতে বাংলাদেশে বর্তমানে উচ্চ আদালতসহ বিচারিক আদালতে বিচারাধীন মামলা সংখ্যা প্রায় ৪২ লক্ষ এবং গত ১৫ বছরের ব্যবধানে দেশের নিম্ন ও উচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলার জট দ্বিগুন হয়েছে এমনকি প্রতিদিন নিম্ন ও উচ্চ আদালতে প্রতিদিন মামলার সংখ্যা বাড়ছে। দেখা যাবে তৎমধ্যে অধিকাংশ মামলায় জমি জালিয়াত সংক্রান্ত। সুতরাং স্থানীয় আপামর জনগনের অভিযোগ পেলেই যদি সাথে সাথে দুর্নীতিবাজদের লাগাম টেনে ধরে রাখতে পারে তাহলে অন্যরা কোনরকম দুর্নীতি ব্যাতিরেকে সকলের জীবন চলার চেষ্টা করতে বাধ্য এবং আইন আদালতেও যে কোন দুর্নীতির মামলা কোট কাচারীতে কমে যাবে, মামলার জটও কমবে এবং নিরীহ জনগনও শান্তিতে সৎভাবে জীবন পরিচালনার জন্য যথেষ্ট হবে সমাজে আইনের অনুসাসন ও সমাজের প্রত্যেককে মেনে চলতে অপরিহার্য্য হয়ে পড়তে বাধ্য। স্থানীয় দুর্নীতি দমন অফিসকে সক্রিয় করতে পারলে স্থানীয় দূর্নীতিবাজদের নানাবিধ জুলুম অত্যাচার সহ সর্ব প্রকার অনিয়ম অন্যায় সমাজ থেকে ক্রমাগত ভাবে চল যেতে বাধ্য। দেশের আপামর জনগনের মন থেকে মামলা ভীতি দূর করতে হবে। প্রতিকারহীন কাজের অপরাধে বিচারের বাণী নীরবে নিভৃত্তে কাঁদে। জমি জমার সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়ে অনেকেই মামলা মোকদ্দমা না করে দুদক অফিসের মাধ্যমে দ্রুত সারাতে পারবে মামলা করলে অনেক বছর লেগে যাবে। এতদিন আদালতে দৌড়ানোর মত অবস্থাও অনেকের নেই। ফলে দুদকের কাছে সহযোগিতা না পেলে আমি স্রষ্টার কাছে বিচার দিয়ে রেখেছি বলে মনকে শান্তনা দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে অনেকেই। দুঃখজনক হলো মানুষ মরে যায়, কিন্তু দেওয়ানী মামলাগুলো চলে কয়েক পুরুষ ধরে। ১৭ ডিসেম্বর ২০২২ প্রথম আলোর রিপোর্ট থেকে জানা যায় সিলেট সদর উপজেলার স্বত্ব ঘোষনাসহ বাঁটোয়ারার একটি মামলা ২৮ বছরেও শুরু হয়নি যুক্তিতর্ক। ১৯৯৪ সালে দায়েরকৃত মামলার সাক্ষ্য গ্রহন শেষ হতে ২৬ বছর সময় লেগেছে এবং এর মধ্যে ১১ বাদীর মধ্যে ২ জন এবং ৬৮ বিবাদীর মধ্যে ১৬ জন মারা গেছে। আমার কথা হলো স্থানীয় দুদক যদি সক্রিয় হয়ে স্থানীয় ভাবে চেষ্টা করে তাহলে নিরীহ নারী পুরুষদের অনেক উপকার হবে তাতে সন্দেহ নেই। স্থানীয় নিরীহ জনদুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে তা তাৎক্ষনিক নিরসনে স্থানীয় দুদক কর্তৃপক্ষকে সরাসরি দায়িত্ব দিন ফলে সরকারের ভাবমুর্তি বৃদ্ধি পাবে। যেমন আরেকজন নিরীহ ব্যক্তিনী জি সুলতানা বেগম পিতামহ মরহুম হাজী আবদুল ছত্তার ও পিতা মরহুম আব্দুল মাবুদ কর্তৃক গণপূর্তের এক এলোটির নিকট হতে পূর্ব নাসিরাবাদ মৌজার রেজিঃ দঃ নং ৫৩০ তাং ১৩/০১/১৯৮০ ইং মূলে ৭১২ গন্ডা বা ১৫০০ শতক জমি খরিদ সূত্রে মালিক হন। পরবর্তীতে একই মৌজায় ১৫/০৩/১৯৯৩ ইং তারিখের ১৩৯৩ নং রেজিঃ দঃ মূলে আরেক এক এলোটির নিকট হতে আরো ৬ গন্ডা বা ১২০০ শতাংশ জমি খরিদাসূত্রে স্বত্বাধিকারী হন। আবার উক্ত পিতা পিতামহের উপার্জিত আয়ের মাধ্যমে ইমাম গঞ্জ মৌজার তাং-০৮/০৬/১৯৪৮ ইং রেজিঃ দঃ ২১৬৫, ১৭/০৩/১৯৫১ তাং ১৩২৪ নং রেজিঃ দলিল ও ২৯/১২/১৯৬৪ ইং তারিখ রেজিঃ দঃ নং-৬৫৪৯ মূলে ৬ গন্ডা সহ সর্বমোট ১৯।। গন্ডা জমি খরিদা সূত্রে উভয়ে স্বত্বাধিকারী হন। উক্ত সমুদয় সম্পত্তির মধ্যে ২৮/০১/১৯৮১ ইং তাং ১৬৯৫ রেজিষ্টার্ড দান পত্র মূলে এক পুত্র ৮ কন্যাকে দান করে দেন। আবার ১৩।। (সাড়ে তের গন্ডা) জমির মধ্যে থেকে সকলের জানামতে ১৯৮২ ইং সালে উক্ত পিতা ও পিতামহের জীবদ্দশায় তাকে কিচু জমি বসবাসের নিমিত্তে সরেজমিনে মৌখিক দান দখল হস্তান্তর করেন। তথায় তিনি কিছু অংশে পাকা ও কিছু অংশে সেমিপাকা গৃহ বন্ধন করে ভোগ দখল করেন। পিতা আবদুল মাবুদ সওঃ কে তিনি ঘর বাধার কালে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার পাশে দুই সহোদর বোন ২ গন্ডা করে ৪ গন্ডা জায়গায় ঘর বেঁধেছেন। আমার অংশে এক গন্ডার কম হবে কারণ কি? প্রতি উত্তরে আমাকে বললেন আপাতত যতটুকু তুমি ভোগ দখলে আছ তা এখন সংস্কার করে জলাবদ্ধতা জনিত বিষয়টি রোধ হয় মত উঁচু করে সংস্কার করে তাদের অনুমতিক্রমে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মত খরচ করে সংষ্কার করেছি। তখন বলেছিল বাবা তোমাকে তোমার পাশের্^ অবস্থান রত তোমার ২ বোনের ন্যায় সম পরিমান অংশ করে দেব। আমি শ^শুর বাড়ীতে গেলাম ২ সপ্তাহ পর এসে দেখি আমার অবর্তমানে আমার পিতা ও পিতামহ কর্তৃক দখল প্রদানকৃত অংশ হতে বেশ কিছু পরিমান অর্থাৎ আধগন্ডা মত বাস্তুভিটি জমি পাশ্র্¦স্থ প্রভাবশালী অপর অংশীদার কর্তৃক জবর দখল হয়ে গেছে। এখন দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে সকলের জানামতে ভোগ দখলে থেকে পৌরকর ইউটিলিটি বিল ও আয়কর প্রদান করে ভোগ দখলে স্থিত আছি এবং জি. সুলতানা বেগমের নাম উল্লেখ পূর্বক ১৩৮৩-১৪০৭ বাংলা পর্যন্ত ১৯০৭ টাকা। খাজনা আদায় করি। পরবর্তীতে জানানো হয় ১৯৮০ ইং সনে রেজিঃ দঃ নং ৫৩০ মূলে-১৫০০ শতাংশ বা সাড়ে সাত গন্ডা ১৯৯৩ ইং সালের রেজিঃ দঃ নং ১৩৯৩ মূলে ১২০০ শতাংশ বা ছয় গন্ডা ও ১৯৮১ “ ” ” দান পত্র দঃ নং-১৬৯৫ মূলে ১২০০ শতাংশ বা ৬ গন্ডা সহ সর্বমোট সাড়ে ঊনিশ গন্ডা জমির রেজিষ্টার্ড অংশনামা ঠিক করলে তোমার খাজনা নেব। না হয় খাজনা নেব না। এখন প্রভাবশালী ওয়ারিশগণ বেশি বেশি ভোগ দখলে রয়েছে। তিন জনকে তো কিছুই দেননি। এখন এ সমস্যা সমাধানে মামলা মোকদ্দমা ছাড়া নিষ্পত্তি সম্ভব নয় বলা হলেও আমি মনে করি স্থানীয় দুদক যদি উক্ত অভিযোগ পায় তাহলে সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দিলেই স্থানীয় দুদক অফিসেই সহজেই সমাধান হতে বাধ্য বলে মনে করছি। এখানে দেখা গেছে এক প্রভাবশালী ওয়ারিশ ১০/০১/১৯৮৪ ইং তারিখ রেজিষ্ট্রিকৃত ১৭১১৯ ভূঁয়া দানপত্র মূলে অর্থাৎ (ছয়) গন্ডা পিতা ও পিতামহ ১৬৯৫ নং তাং-২৮/১/১৯৮১ ইং তারিখ রেজিঃ কার্ড দান পত্র মূলে ৮ বোন ১ ভাইকে যে ৬ গন্ডা জমি দান করে গেছেন সেটা এক ভাই ১৭১১৯ রেজিঃ দঃ তাং-১০/১/১৯৮৪ ইং মূলে ভূঁয়া দানপত্র মূলে স্বনামে একাই কুক্ষিগত করে রেখেছে। তাই উপরোক্ত বিষয় একটু স্থানীয় দুদক তদন্ত করলেই বড় ধরনের দুর্নীতিটা কোথায় এবং কে করেছে এর জন্য দায়ী কে ইত্যাদি প্রতিয়মান হবে? এবং ন্যায় বিচারটা স্থানীয় দুদক অফিস সহজে সমাধান করতে আইনগত কোনো বাঁধা নেই এবং নিরীহ যেই তিন বোনকে বাদ দিয়েছেন এবং অন্য প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজগণ কিভাবে পৈত্রিক সম্পত্তি সুষ্ট বণ্টন না করে চলে বলে অপকৌশলে পেশী শক্তির মাধ্যমে ভোগ করে চলেছে তা স্পষ্টত বেড়িয়ে আসতে বাধ্য। এ রকম অসংখ্য জমি জমার নানান অনিয়ম অন্যায় জবর দখলের তথ্য আমার কাছে রয়েছে। এটুকু আলোচনা করা মানে স্থানীয় দুদক কে এ সমস্ত বিষয় তদন্ত করে বিহীত ব্যবস্থার জন্য যথাযথ ক্ষমতা যদি কর্তৃপক্ষ প্রদান করেন এবং আমার মতে ন্যায় নীতি ও ন্যায় বিচারের দ্বার উম্মোক্ত হয়ে নিরীহ মা বোন কোর্ট কাচারী না গিয়ে অধিকাংশ সমস্যা স্থানীয় দুদক অফিস অনায়াসে সমাধান করতে সক্ষম হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ফলে শেখ হাসিনার নিরীহ নারী বান্ধব সরকারের ভাবমূর্তি বহুলাংশে নিঃসন্দেহে বেড়ে যাবে এবং নিরীহ নারী পুরুষ এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনার প্রত্যাশায় মানুষে মানুষে ঝগড়া, বিবাদ, হিংসা বিদ্বেষ মামলা মোকদ্দমা সর্বোপরি খুন খারাপী বিশেষ করে ৮০ ভাগ জমি জমা নিয়ে সৃষ্ট ঝামেলা চির তরের জন্য বন্ধ হয়ে মানুষের মধ্যে সুন্দর সৌহাদ্য পূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আমার দৃঢ় বিশ^াস। দেখা গেছে বাংলাদেশের মুসলিম নারীগণ বেশির ভাগই পৈত্রিক সম্পত্তির সঠিক ও সুষ্ঠ বণ্টন বা ন্যায্য হিস্যা ভাগ প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত দুর্নীতিবাজ প্রভাবশালী অন্যান্যরা চলে বলে ভূঁয়া কাগজ সৃজনে আত্নসাতের অপচেষ্টায় রত। দেখা গেছে এ সমাজে কারো শরীরে মেদ জমছে, কেউ কেউ অপুষ্টিতে ভুগছে। মূলত দুর্নীতি থেকে সৃষ্টি হয় অসাম্য, অনৈতিকতা, অপচয়, অপব্যয়। অবৈধ পথে অর্জিত সম্পদের মাধ্যমে দুর্নীতির নেশায় অদম্য লোভে মানুষের সুস্থ চিন্তা বিনষ্ট করে, এতে বিন্দু থেকে সিন্দু এবং স্পুলিঙ্গ থেকে দাবানলে পরিনত হয় মানুষের দুর্নীতি। চোখ ধাঁধানো এপার্টমেন্ট, শে^তপাথরের বেডরুম, অনাড়ম্বরপূর্ণ বিয়ে, বিলাসবহুল রেস্টুরেন্টে ভুরিভোজ, ডায়মন্ডের আংটি, অজস্র গয়নাগাটি এবং অবকাশ কাটাতে ক্যানাডা, ইউরোপ, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর ভ্রমন অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। মনে রাখতে হবে মানুষের জীবন অবসানের পর পর অবৈধ সম্পদ/ আবর্জনা তার বংশধরদের শিরা উপশিরা এমনকি উত্তরাধিকারের মধ্যে দ্বন্ধ, মারামারি, কাটাকাটি, মামলা মোকদ্দমা, পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি করে সমাজকে কলুষিত করে। তাই স্থানীয় দুর্নীতি প্রতিরোধে ত্বড়িৎ সমস্যা সমাধানে স্থানীয় দুদককে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা দিন, ক্রমশ
পুরো দেশের ৯৯ ভাগ মানুষই শান্তি ও স্বস্তিতে সভ্যভাবে জীবনাচরণে অভ্যস্থ হয়ে দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করবে। লেখার শিরোনামের বাহিরে এখন দ্ ুএকটি মনো বেদনার কথা প্রকাশ করছি। গত ১৫ দিন ধরে ৭ থেকে ১৪০ শতাংশ মানুষের জীবন রক্ষাকারী ঔষধের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাব গত ২৯ এপ্রিল ২০২৪ হাইকোর্টে একটি রীট পিটিশন দায়ের করে। উক্ত মামলায় সব ধরনের ঔষধের মূল্য বৃদ্ধি রোধকল্পে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান সহ রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। সারাদেশে প্রায় ৩১০ টির মত এলোপ্যাথিক ওষুধ উৎপাদনকারী কারখানা রয়েছে। ঐ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ মূল্য বৃদ্ধি জনিত বিষয়টির জন্য বিশ^ বাজারে ওষুধের কাঁচামাল, মার্কেটিং খরচ সহ ডলারের বিনিময় মূল্য বৃদ্ধি ও সাম্প্রতিককালের বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সহ বিভিন্ন ইউলিটিজের মূল্য বৃদ্ধিকে বিভিন্ন ফোরামে ঔষধের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করে আসছেন। আমার কথা হলো নিরীহ দেশের মানব কূলের জীবন রক্ষার্থে প্রতিনিয়ত অত্যাবশ্যকীয় অপরিহার্য্য পন্য ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছে। তাই এ ব্যাপারে মানবিক বিষয়টি সুবিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ সমীপে আকুল আবেদন করছি। এস, এম ফরিদুল আলম, প্রেমাশিয়া, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
