স্টাফ করেসপন্ডেন্ট : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সিএমপি সদর দপ্তর থেকে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্দেশনার আলোকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মহানগরীর নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সি ক্যাব/কার, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। সেইসঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।তবে কয়েকটি ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বহনকারী যানবাহন এবং সংবাদপত্র পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহনও নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। বিমানবন্দরে যাওয়া–আসার ক্ষেত্রে টিকিট বা সমজাতীয় প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে যানবাহন চলাচল করা যাবে।দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন এবং আন্তঃজেলা যাতায়াতের ক্ষেত্রেও শিথিলতা থাকবে।রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী একটি এবং তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট একটি ছোট আকারের যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন থাকলে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের যানবাহন এবং মোটরসাইকেলও চলাচল করতে পারবে।এছাড়া নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতেও এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।


