নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরের ৩৮ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ মধ্যম হালিশহরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে ১৬৩ তম রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন করেছে ১ নং সাইট হিন্দুপাড়াস্থ সৃজনশীল সংগঠন ঐকতান পরিবার । সকাল দশটায় রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্মের উপর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সন্ধ্যা হতে মঙ্গল প্রদীপ প্রজননের মাধ্যমে শুরু হয় বর্নাঢ্য সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রধান সহায়ক লিটন সরকারের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হীরালাল বনিক, চিত্রশিল্পী মতিলাল দে, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কেশব জিপসি, সামাজিক ব্যক্তিত্ব অশোক কুমার চৌধুরী, স্বেচ্ছা রক্তদাতা ফোরামের প্রধান আশীষ কান্তি মহরি, তথ্য আলোকচিত্র শিল্পী সুব্রত দে। বক্তব্য রাখেন, “মুক্তি”এর পরিচালক টুটুল কান্তি দাস এবং সুমন কান্তি দে। বক্তারা বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংগীতের অবদান অবিস্মরণীয় ও চিরকালীন। বাঙালির স্বাধিকার, বিশেষত- স্বাধীনতাসংগ্রামে রবীন্দ্রসংগীত ছিল প্রেরণার উৎস। রবীন্দ্রনাথের গান আবহমানকালের বাঙালি সংস্কৃতির মূলধারাকে বিকশিত ও সমৃদ্ধ করে চলেছে। এ দেশের সংস্কৃতমনা মানুষের কাছে রবীন্দ্রসংগীত হয়ে উঠেছে জাতীয় সংস্কৃতি বিকাশের প্রধানতম অবলম্বন ও প্রাতঃস্মরণীয়।
এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একে একে সংগীত পরিবেশন করেন, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কেশব জিপসি, শুভ্রজিৎ চক্রবর্তী, তুষার দাস, পিয়াস দে, বৈশাখী দে, পুষ্পিতা দে, মোহাম্মদ আরশাদ, সৌরভ দে প্রমুখ। হাওয়াইয়ান গিটার রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন বেতার শিল্পী যুবরাজ দাস এবং প্রবাল নাথ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন প্রমা এর বাচিক শিল্পী পার্থ প্রতিম মহাজন এবং ঐকতান আবৃত্তি গোষ্ঠীর শশী ও দীপা। মঞ্চে সরাসরি রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি অংকন করেন উদীয়মান চিত্রশিল্পী নোবেল বৈদ্য। সবশেষে রবীন্দ্রনাথের গানের উপর ষড়ঋতু নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন চট্টগ্রামের নৃত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিত্যনন্দনের প্রধান ও তার দল। চমৎকার শৈল্পিক ভাবনায় ফুটিয়ে তোলা হয় সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন শশী ও দীপা। অনুষ্ঠান শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
