খবর বিজ্ঞপ্তি: বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক-ক্রীড়া সংস্থা জাতীয় নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সাহস যুগিয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়েছিল। মেজর জিয়ার নেতৃত্বে দিশেহারা জাতিকে যে সাহস যুগিয়েছিল তার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাতেও তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের পরে বাংলাদেশকে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বের করে সকল দলকে রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টি করে ছিলেন তৎকালীন জনপ্রিয় রাষ্ট্র নায়ক জিয়াউর রহমান। তার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ যতবারই ষড়যন্ত্রের কবলে পড়েছিল ততবারই শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি দেশের কল্যাণে হাল ধরেছে। শহীদ জিয়ার শাহাদাত বরণের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের কল্যাণে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি কাজ করে যাচ্ছে। তাই মেজর জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা আজ সারা বিশ্বে স্বীকৃত। আগামী দিনে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, জনকল্যাণকর, বন্ধু সুলভ পররাষ্ট্র নীতি নির্ভর একটি রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান। তিনি আজ বিকাল ৩.৩০ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক-ক্রীড়া সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরী কমিটির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে “মেজর জিয়া, বহুদলীয় গণতন্ত্রঃ স্বাধীনতার ৫৫ বছরের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। সংগঠনের মহানগরের আহ্বায়ক মুহাম্মদ আয়ুব খান এর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব জিএম কামাল রানার পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহানগরের নেতা মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, মুহাম্মদ শাহীন, মুহাম্মদ আব্দুর জব্বার, মুহাম্মদ ফখরুদ্দীন তাজবির, মুহাম্মদ শাফায়েত চৌধুরী, মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মুহাম্মদ মাহীন ইন তিশার, জিএম দাইয়ান আকমাল আযান, মুহাম্মদ সাব্বির হোসাইন, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।


