শনিবার, এপ্রিল ১১, ২০২৬
spot_img

স্বস্তি নেই ডিম-মুরগির বাজারে, নাগালের মধ্যে সবজি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমেছে। ক্রেতার নাগালের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে টমেটো, আলু, শিম, ঢেঁড়শ, লাউসহ হরেক রকমের সবজি।তবে, মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে তেমন স্বস্তি নেই। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বিভিন্ন কাঁচা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
বাজারে টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁকরোল, দেশি পটল, দেশি গাজর, দেশি শসা, ছোট করলা প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা, কচুর লতি, কচুরমুখী, লাউ, চালকুমড়া ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মূলা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, শালগম ৫০ টাকা, আলু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা, পেঁপে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।অন্যান্য সবজির মধ্যে কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ধনেপাতা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।লাল শাক-পালং শাকসহ অন্যান্য সব ধরনের শাক আঁটিপ্রতি ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরায় প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চায়না রসুন ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, চায়না আদা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ভারতীয় আদা মানভেদে ১৫০ থেকে ১৬০ দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, লেয়ার ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৫৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। হাঁসের মধ্যে দেড় কেজি ওজনের প্রতি পিস দেশি হাঁস ৫০০ টাকা, দুই কেজি ওজনের চীনা হাঁস প্রতি পিস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস প্রতিকেজি ৭৮০ থেকে ৯০০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০ টাকা এবং ছাগল ১১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি ডজন লাল ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকা, সাদা ডিম ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা ও দেশি হাঁসের ডিম ২০০ থেকে ২১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তেলাপিয়া বড় সাইজের ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, নাইলেটিকা ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাঙাশ ও সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। লইট্যা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, চিংড়ি (বাগদা ও গলদা) প্রকারভেদে ৭৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া খাল-নদী ও চাষের মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, ছোট আকারের পাবদা ৪০০ টাকা, মাঝারি সাইজের ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পুঁটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চকবাজার কাঁচা বাজারে আসা মুজিবুর রহমান নামের এক কর্মজীবী বলেন, একদিন একটি পণ্যের দাম বাড়ে তো অন্যদিন আরেক পণ্যের। আগের মতো হিসেব করে বাজারে আসা যায় না। পণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মাছ-মাংস তো দূরের কথা, সবজি কিনতেই এখন বেশি টাকা লাগে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি করতে হবে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি বাড়ানো গেলে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়ে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।
বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, বাজারে কিছু সবজির দাম একটু কমেছে। পাইকারি বাজারে দাম কমলে খুচরা বাজারেও আমরা দাম কমিয়ে দেই। বাড়তি নেওয়ার সুযোগ নেই।

সর্বশেষ

পাঠ্যপুস্তক

রতন চন্দ্র পাল, অতিথি লেখক: মানব সভ্যতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ...

ইজারাদারদের দাবি, সাতকানিয়া দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের

অনলাইন ডেস্ক: সাতকানিয়ার দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের দাবী...

যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নিযুক্ত সঞ্জয় কুমার সাহা

পূর্বকাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক...

আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক...

সাতকানিয়ার কেরানীহাটে আশ্-শেফা স্কুল এন্ড কলেজে নাতে রাসুল (সাঃ) প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

এস এম আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম: পবিত্র রবিউল আউয়াল...
spot_img