নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্দরনগরী চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট (গ্যালারি হল) প্রাঙ্গণে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে।
বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই রবীন্দ্রসংগীত সন্ধ্যায় শ্রোতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
‘হে নূতন দেখা দিক আর-বার’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সন্ধ্যা ৬:৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে উদ্বোধনী সংগীত হিসেবে পরিবেশিত হয় ‘হে নূতন দেখা’ এবং ‘আকাশ ভরা সূর্য তারা’। এরপর সংস্থার শিল্পীদের একক ও দ্বৈত রবীন্দ্রসংগীতের মূর্ছনায় হলভর্তি দর্শক মুগ্ধ হন।
সাংস্কৃতিক পর্বে গান পরিবেশন করেন জাকিয়া তাসনিম লিপি, শ্যামলী বড়ুয়া, অন্তরা দাশ, রুমা মিত্র, বনানী শেখর রুদ্র, অগ্নিলা দিয়া, ঋতু দত্ত, সায়ন্তী ভট্টাচার্য , শেলী মল্লিক, পৃথ্বীশ ভট্টাচার্য, অনিমেষ বড়ুয়া, মনি আচার্য, মিশকাতুল মমতাজ মুমু, মো. মহিউদ্দিন ও বহ্নিশিখা রক্ষিত (দ্বৈত), সীমা পাল, মশিউল আনোয়ার খান, অর্পিতা দাশ, রুমি চক্রবর্তী, শ্যামলী পাল, প্রনব সিকদার, লাকী দাশ,সনজিতা ভট্টাচার্য্য
ও এডভোকেট শুভাগত চৌধুরীর গান।
যন্ত্রসংগীতে সহযোগিতা করেন কি-বোর্ড-এ রিপন শীল, তবলায় রোমেন বিশ্বাস রাজু, অক্টোপ্যাড-এ নন্দন নন্দী, বেহালায় শ্যামল চন্দ্র দাস এবং একুস্টিক গিটারে মলয় কুমার ইন্দু মুকেশ।
পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিশকাতুল মমতাজ মুমু ও পরিচালনা করেন বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শুভাগত চৌধুরী। স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সংস্থার সভাপতি লাকী দাশ।
বক্তব্যে লাকী দাশ বলেন, “রবীন্দ্রনাথ বাঙালি সত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর সৃষ্টি আমাদের সংকটে শক্তি জোগায় এবং আনন্দে উদ্বেলিত করে। আজকের এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো নতুন প্রজন্মের মাঝে রবীন্দ্রচেতনা ছড়িয়ে দেওয়া।”
সংগীত ও যন্ত্রসংগীতের এক অপূর্ব সমন্বয়ে থিয়েটার ইনস্টিটিউটে উপস্থিত সুধীজন ও সংগীতানুরাগীরা গভীর মুগ্ধতায় কবির প্রতি এই শ্রদ্ধাঞ্জলি উপভোগ করেন।


