অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল ও লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সোমবার (১৮ মে) সকালে নগরের দামপাড়ায় সিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় ঈদযাত্রায় যানজট ও দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর মধ্যে ঈদের আগে ও পরে তিন দিন করে মোট সাত দিন অর্থাৎ ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে কোরবানির পশুবাহী যানবাহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ, বন্দরের মালামাল ও তৈরি পোশাক পরিবহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, গণপরিবহনে দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টানাতে হবে এবং বাস টার্মিনাল ও স্ট্যান্ডে বিলবোর্ডে তা প্রদর্শন করতে হবে। নগরের দামপাড়া, অলংকার, একে খান, ইপিজেড, বন্দর, কাঠগড়, অক্সিজেন মোড়, বহদ্দারহাট, শাহ আমানত সেতু এলাকা ও কদমতলী টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের সুশৃঙ্খল চলাচল নিশ্চিত করা হবে।
এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, লক্কর-ঝক্কর ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহন ঠেকানো এবং মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সড়ক পরিস্থিতি তদারকিতে সিএমপি, বিআরটিএ এবং মালিক-শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পৃথক ভিজিল্যান্স ও মনিটরিং টিম গঠনের সিদ্ধান্তও হয়। সভায় সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার নেছার উদ্দিন আহমেদ, নিষ্কৃতি চাকমা, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, মো. রইছ উদ্দিন, কবীর আহম্মেদ, মো. আলমগীর হোসেন ও মো. আমিরুল ইসলামসহ সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


