অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর উপর অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কালুরঘাট ফেরিঘাটের ইজারা কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ২০২৬-২০২৭, ২০২৭-২০২৮ এবং ২০২৮-২০২৯ অর্থবছরের জন্য ইজারা প্রদানের লক্ষ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকাশিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।বুধবার (২০ মে) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি আব্দুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল নিশি জারি করে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছেন।আদালত জানতে চেয়েছেন, কেন ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ওই দরপত্র বিজ্ঞপ্তিকে আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ও আইনগত কার্যকারিতা শূন্য ঘোষণা করা হবে না।একইসঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কালুরঘাট ফেরিঘাটের ইজারা কার্যক্রম আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনটি করেন মেসার্স আমরিন অ্যান্ড ব্রাদার্সের ম্যানেজার মো. আরিফ উল ইসলাম। আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়ায় আইনগত অসঙ্গতি ও অনিয়ম রয়েছে।আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আজিজুল হক ও অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ এজাজ কবির, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন (তারেক) এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিস মাহবুবা তাসলিম আঁখি, মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম এবং রোহানী সিদ্দিকা।আদালত আবেদনকারীকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিবাদীদের কাছে রিটের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন।আইনজীবীরা বলছেন, হাইকোর্টের এ আদেশের ফলে আপাতত কালুরঘাট ফেরিঘাটের নতুন ইজারা কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোসলেহ উদ্দিন জানিয়েছেন, কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


