অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মহেশখালীর সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল দুটিই একসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে মোট সরবরাহ প্রায় ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উঠেছে।পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, সকালে সামিটের টার্মিনাল থেকে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। অর্থাৎ দুই টার্মিনাল থেকে এলএনজি-ভিত্তিক সরবরাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট।
শুক্রবার বিকালে কারিগরি ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ এক পর্যায়ে প্রায় ১ হাজার ৭৩০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসে। পরে ত্রুটি মেরামত করে রাতেই আবার সরবরাহ শুরু করা হয়।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিটের টার্মিনাল থেকেও আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। সন্ধ্যায় সরবরাহ ছিল প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট। পরে রাত ও ভোরে ধাপে ধাপে তা বাড়িয়ে প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেওয়া হয়। আজ রাত ২টার দিকে সামিট ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ বৃদ্ধি করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের মধ্যে থাকে। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যায়। ফলে বর্তমান সরবরাহ বাড়লেও চাহিদার তুলনায় ঘাটতি পুরোপুরি কাটেনি।


