বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
spot_img

হাম আক্রান্ত শিশুদের ৪৬ শতাংশের বয়স ৯ মাসের কম

নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত শিশুদের গুরুতর অসুস্থতা ও জটিলতার পেছনে অপুষ্টি বড় ঝুঁকি হিসেবে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে আক্রান্ত শিশুদের ৪৬ শতাংশই হাম প্রতিরোধের নিয়মিত টিকা নেওয়ার নির্ধারিত বয়স ৯ মাসে পৌঁছানোর আগেই সংক্রমিত হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের কনফারেন্স হলে ‘মিজলস আউটব্রেক ২০২৬ ইন সাদার্ন বাংলাদেশ: এপিডেমিওলজিক্যাল প্রোফাইল, ক্লিনিক্যাল ক্যারেক্টারিস্টিকস, জেনেটিক অ্যানালাইসিস উইথ ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড অ্যান্টিবডি স্ট্যাটাস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, মাঝারি ও তীব্র অপুষ্টি ছিল হামের মারাত্মক শারীরিক জটিলতা তৈরির প্রধান কারণ।আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে টিকা না নেওয়া শিশুদের গুরুতর জটিলতায় ভোগার ঝুঁকি টিকা নেওয়া শিশুদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপের সহযোগিতায় এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। মূল গবেষক ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কামরুন নাহার।
গবেষণা সহযোগী হিসেবে ছিলেন, ডা. সেলিনা হক, ডা. আয়েশা বেগম, ডা. মোহাম্মদ জাবেদ বিন আমিন চৌধুরী, ডা. সায়েদা হুমায়দা হাসান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ডা. আসমা ফেরদৌসী ও ডা. সানজানা ইসলাম, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক ডা. মিয়া মনজুর আহমেদ এবং কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক ডা. এম এস জামান।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা মিয়া ও চমেক মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান এম এ হাসান এ গবেষণার উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন।
গবেষণায় চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি মোট ৩০০ আক্রান্ত শিশুর তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে গবেষণায়। প্রাথমিক হাসপাতালভিত্তিক রোগী তথ্যের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৯৭ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৪৫ জন, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩৪ জন এবং কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২০ জন শিশুর নমুনা রয়েছে।
আক্রান্ত শিশুদের বয়স ছিল ২ মাস থেকে ১১ বছর পর্যন্ত। এর মধ্যে ৬ মাসের কম বয়সী ছিল ১১ শতাংশ বা ২৩ জন। ৯ মাসের নিচে, অর্থাৎ নিয়মিত হাম টিকার নির্ধারিত বয়সের আগেই আক্রান্ত হয়েছে ৪৬ শতাংশ বা ৯১ জন শিশু। ১ থেকে ৫ বছর বয়সী ছিল ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৪৬ জন।
গবেষণায় আক্রান্ত শিশুদের আর্থ-সামাজিক অবস্থাতেও ঝুঁকির চিত্র পাওয়া গেছে। ৭৫ দশমিক ৫ শতাংশ বা ১৪৮ জন শিশু গ্রামীণ কিংবা প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এসেছে। আর ৬৪ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১২৭ জন শিশু ছিল নিম্ন আর্থ-সামাজিক পরিবারের। অর্থাৎ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুরা হামের প্রাদুর্ভাবে উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিতে ছিল।
টিকা না নেওয়া শিশুদের ঝুঁকি বেশি
গবেষণায় আক্রান্ত শিশুদের ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ বা ১৬৭ জন কোনো হাম টিকা নেয়নি। এদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ শিশুর বয়সই ছিল ৯ মাসের নিচে। টিকা না নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ করা হয়েছে অসচেতনতা বা টিকা দেওয়ার তারিখ ভুলে যাওয়ার বিষয়টি। এ কারণে টিকা না নেওয়া শিশুর হার ছিল ৫২ শতাংশ। এছাড়া শিশু অসুস্থ থাকা ৩০ শতাংশ, মায়ের অসুস্থতার কারণে ৮ শতাংশ, টিকার ভয়ের কারণে ৪ শতাংশ, টিকাকার্ড হারিয়ে ফেলার কারণে ৪ শতাংশ শিশু টিকা নেয়নি।
গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, টিকাপ্রাপ্ত শিশুদের তুলনায় টিকাহীন শিশুদের গুরুতর জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ছিল প্রায় দ্বিগুণ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যে একজনেরও মৃত্যু হয়নি।
তবে আক্রান্তদের একটি বড় অংশ এমন বয়সের শিশু, যাদের নিয়মিত টিকার বয়সই হয়নি। ফলে ৯ মাসের নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে হাম প্রতিরোধে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও গবেষণায় উঠে এসেছে।
অপুষ্টিই গুরুতর জটিলতার বড় ঝুঁকি
হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ৩১ শতাংশ বা ৫১ জন তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছিল। গবেষণার চূড়ান্ত বিশ্লেষণে মাঝারি ও তীব্র অপুষ্টিকে হামের গুরুতর শারীরিক জটিলতা তৈরির সবচেয়ে শক্তিশালী স্বাধীন নিয়ামক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
শুধু পুষ্টির ঘাটতিই নয়, শিশুর বুকের দুধ পাওয়ার ইতিহাসও গবেষণায় বিবেচনায় নেওয়া হয়। ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ বা ৩৭ জন শিশু শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। গবেষণায় বলা হয়েছে, শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো হামের তীব্রতা শতভাগ কমাতে সক্ষম নয়। এর সঙ্গে যথাযথ চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত পুষ্টিও প্রয়োজন।
ভিটামিন ‘এ’ সাপ্লিমেন্টেশনেও ঘাটতির চিত্র পাওয়া গেছে। আক্রান্ত শিশুদের মাত্র ৩২ দশমিক ১ শতাংশ বা ৬৩ জন গত ছয় মাসে ভিটামিন ‘এ’ পেয়েছিল। যারা ভিটামিন ‘এ’ পায়নি, তাদের মধ্যে ৫৯ শতাংশ মারাত্মক ও তীব্র জটিলতার শিকার হয়েছে।
গবেষণায় দারিদ্র্য, বস্তি বা গ্রামীণ পরিবেশ, অতিরিক্ত জনবহুল ঘিঞ্জি ঘর এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না থাকাকে জটিলতার ঝুঁকি বাড়ানোর পরিবেশগত কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতাল থেকেও সংক্রমণের তথ্য
হামের প্রাদুর্ভাবে সংক্রমণের উৎস নিয়েও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মাত্র ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বা ৫২ জন শিশুর আগে হাম আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ইতিহাস ছিল। বিপরীতে ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ শিশু কোনো না কোনো হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে সংক্রমিত হয়েছে বলে গবেষণায় পাওয়া গেছে।
গবেষকদের মতে, এ তথ্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বকে সামনে নিয়ে আসে।
আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে জ্বর, ফুসকুড়ি, কাশি, সর্দি ও চোখ ওঠার মতো উপসর্গ ছিল। জ্বরের গড় স্থায়িত্ব ছিল ৭ দশমিক ৩০ দিন এবং ফুসকুড়ির গড় স্থায়িত্ব ছিল ৫ দশমিক ৬৪ দিন।
ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ বা ১৫০ জন শিশুর শরীরে মিজলস আইজিএম পজিটিভ পাওয়া যায়, যা সাম্প্রতিক সংক্রমণ নিশ্চিত করে। এছাড়া ৫৫ দশমিক ৬ শতাংশ শিশুর শরীরে মিজলস আইজিজি পজিটিভ পাওয়া যায়।
নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ৭৮.৯ শতাংশ
হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে জটিলতার হারও ছিল উচ্চ। ৮৬ দশমিক ৭ শতাংশ বা ১৭০ জন শিশুর মধ্যে অন্তত একটি গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা গেছে।
সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে নিউমোনিয়া। আক্রান্ত শিশুদের ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশের মধ্যে নিউমোনিয়া ছিল। এছাড়া ২৫ শতাংশ শিশুর ডায়রিয়া হয়। অন্য জটিলতার মধ্যে হার্ট ফেইলিউর, শক ও এনসেফালাইটিস ছিল।
আক্রান্ত শিশুদের ৫৩ শতাংশ বা ১০৪ জনের হাম অত্যন্ত জটিল ও গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ বা ৫৮ জন শিশুর চোখ ও মুখে মারাত্মক ক্ষত তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে ৮৬ দশমিক ২ শতাংশ বা ১৯৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। তবে ৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গবেষণায় ইন-হাসপাতাল মৃত্যুহার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মায়ের অ্যান্টিবডি থাকলেও পুরো সুরক্ষা মিলছে না
গবেষণায় আক্রান্ত শিশুদের পাশাপাশি মায়েদের অ্যান্টিবডির অবস্থাও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। মায়েদের ৯৪ দশমিক ৮ শতাংশ বা ৯১ জনের শরীরে মিজলস আইজিজি অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। কিন্তু মাত্র ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ মা জানিয়েছেন, তারা জীবনে হামের টিকা পেয়েছেন।
যেসব মায়ের টিকার ইতিহাস ছিল না, তাদের ৫৫ শতাংশ শিশুই গুরুতর জটিলতায় আক্রান্ত হয়েছে। আর যেসব মায়ের আইজিজি নেগেটিভ ছিল, তাদের ৪০ শতাংশ শিশু গুরুতর জটিলতার শিকার হয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, মায়ের শরীরে আইজিজি পজিটিভ থাকলেও তা শিশুকে নিউমোনিয়া বা হামের গুরুতর জটিলতা থেকে শতভাগ সুরক্ষা দিতে পারেনি।
১০০ শতাংশ নমুনায় বি৩ জিনোটাইপ
হামের ভাইরাসের জিনগত বৈশিষ্ট্য জানতে আক্রান্তদের ১৭টি নমুনায় উচ্চমানের হোল জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়। সব ১৭টি নমুনাতেই বি৩ জিনোটাইপ শনাক্ত হয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, এই বি৩ জিনোটাইপ বাংলাদেশে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর,বির মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিকভাবে আগে থেকে ছড়িয়ে থাকা ভাইরাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অর্থাৎ গবেষণায় পাওয়া বি৩ জিনোটাইপকে নতুন কোনো ইম্পোর্টেড ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে পাওয়া যায়নি।
ভাইরাসের জিনোমে কিছু জেনেটিক পরিবর্তনও শনাক্ত হয়েছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে ভাইরাসের সংক্রামকতা বা রোগের তীব্রতার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষণ চলমান রয়েছে।
গবেষক দল নিয়মিত হাম টিকার কভারেজ ৯৫ শতাংশের বেশি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক ক্যাচ-আপ টিকাদান এবং বাদ পড়া শিশু শনাক্ত করতে বাড়ি বাড়ি টিকাদানের কথা বলা হয়েছে। ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের সুরক্ষায় দ্রুত রোগী আলাদা করা, রোগীর অবস্থা অনুযায়ী প্রাথমিক বাছাই এবং সংস্পর্শে আসার পর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতিতে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করে ৬ মাস বয়সে এমআর টিকা দেওয়ার সম্ভাবনা এবং মায়েদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীদের এমআর বা এমএমআর টিকাদানের বিষয় বিবেচনার সুপারিশও করা হয়েছে।
এছাড়া শিশুদের পুষ্টির মান উন্নয়ন, নিয়মিত ভিটামিন ‘এ’ সাপ্লিমেন্টেশন, হাসপাতালে সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত রোগী বাছাই, আলাদা রাখা ও পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা এবং শক্তিশালী হাম নজরদারি, পরীক্ষাগারে রোগ নিশ্চিতকরণ ও দ্রুত রোগী অনুসন্ধান ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেছে গবেষক দল।

সর্বশেষ

পাঠ্যপুস্তক

রতন চন্দ্র পাল, অতিথি লেখক: মানব সভ্যতার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ...

ইজারাদারদের দাবি, সাতকানিয়া দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের

অনলাইন ডেস্ক: সাতকানিয়ার দেওয়ানহাট বাজার পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিতকরণের দাবী...

যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নিযুক্ত সঞ্জয় কুমার সাহা

পূর্বকাল ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক...

আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক...

সাতকানিয়ার কেরানীহাটে আশ্-শেফা স্কুল এন্ড কলেজে নাতে রাসুল (সাঃ) প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

এস এম আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম: পবিত্র রবিউল আউয়াল...
spot_img