নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারত থেকে আমদানি করা ২৪ হাজার ৬৯০ মেট্টিক টন সেদ্ধ চালের প্রথম চালান নিয়ে বন্দরের ১১ নম্বর জেটিতে ভিড়েছে এমভি তানিশ ড্রিম। জাহাজের চালের নমুনা সংগ্রহপূর্বক ভৌত পরীক্ষা শেষে নিয়মিত প্রক্রিয়া শেষে জাহাজ থেকে চাল খালাস শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে বন্দরের ১১ নং জেটিতে ভেড়ানো হয় চালবাহী জাহাজ এমভি তানিস ড্রিম। প্রথম ধাপে প্রায় সাড়ে ২৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
চলতি অর্থবছরে ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার, যা ধাপে ধাপে আমদানি করা হবে। ইতোমধ্যে এই বিষয়ে আর্ন্তজাতিক দরপত্রের মাধ্যমে চাল সংগ্রহ শুরু করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।এই প্রেক্ষাপটে প্রথম ধাপে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা হচ্ছে সাড়ে ৫২ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল। যার সাড়ে ২৪ হাজার মেট্রিক টন চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে বৃহস্পতিবার সকালে। খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ভারত থেকে চাল কেনা ও পরিবহন অধিকতর সাশ্রয়ী। তাই উন্মুক্ত দরপত্রে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে চাল কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জানা গেছে, ভারত থেকে যে চালটা আসে সেটা একটু বেশি সাশ্রয়ী হয়। তবে চাইলেঅন্যান্য দেশ থেকেও দরপত্রের মাধ্যমে আসতে পারে। আর জিটুজির মাধ্যমে আমরা যাদের সাথে এমওইউ আছে তাঁদের কাছ থেকেই কিনি।
গত ২২ ডিসেম্বর ভারতের কাকিনাড়া বন্দর থেকে এই চাল বোঝাই করে জাহাজ এমভি তানিস ড্রিম। প্রতিদিন ৩ হাজার মেট্রিক টন করে খালাস করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে এই ধাপে চাল খালাসে সময় লাগতে পারে অন্তত ৮-১০ দিন।
সেভেন সী’জ শিপিং লাইনের প্রধান নির্বাহী মো. আলী আকবর বলেন, জাহাজটি ভারতে কাকিনাড়া থেকে এসেছে। ২৪ হাজার ৬৯০ টন চাল আছে। যদি জাহাজের ৪ টা ক্রেন সঠিকভাবে কাজ করে তবে ৮ দিনের মধ্যে খালাস করা যাবে। যদি কোনো বিলম্ব হয় তবে ১০ দিন লাগতে পারে। এর বেশি লাগার কথা নয়।আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে এই লটের বাকি চালও নিয়ে আসা হবে বলে জানান তিনি। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে কেনা চালের ৫২ হাজার টনের মধ্যে প্রথম ধাপে এসেছে প্রায় ২৪ হাজার মেট্রিক টন। খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, বাজারে চালের যে উর্ধ্বগতি, এ চাল আসার কারণে তাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।