নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয় ঘেরাওয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সড়ক ছেড়ে যাওয়ায় নগরীর একাংশে প্রায় তিন ঘণ্টা পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে নগরীর দুই নম্বর গেট মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। এতে সমমনা আরও রাজনৈতিক দল সংহতি জানিয়ে অংশ নেয়।বিক্ষোভের সময় দুই নম্বর গেট মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ওই মোড়ের সঙ্গে সংযুক্ত চারটি সড়কে এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পুলিশ সেখানে উপস্থিত থাকলেও তাদের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহম্মদ সোলাইমান সারাবাংলাকে বলেন, ‘দুপুর দুইটার দিকে দুই নম্বর গেটে সড়ক ছেড়ে মিছিল নিয়ে দামপাড়ার দিকে চলে যান গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা। এরপর গাড়ি চলাচল করছে।’
এদিকে দুই নম্বর গেট থেকে মিছিল নিয়ে দামপাড়ায় এসে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা সিএমপি কার্যালয়ের সামনে ঘেরাও-বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন। তখন দামপাড়া পুলিশ লাইনের মূলক ফটক ভেতর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘেরাও কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রামের নেতাকর্মীরাও। সিএমপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভকারীরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।
বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিকেল ৩টার দিকে সিএমপি কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভকারীরা সরে গেছেন। এখন যানবাহন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক আছে।’
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হামলায় গুরুতর আহত হন নুরুল হক নুরসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। এর প্রতিবাদে ওই রাতে চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
