হাটহাজারী প্রতিনিধি: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে একুশ মানবিকতা ও আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র হাটহাজারী শাখার উদ্যোগে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা হাটহাজারীতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাঠিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহাব উদ্দিন চৌধুরী, বরেণ্য আবৃত্তিকার ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক অনির্বাণ চৌধুরীর হাতে গড়া সংঘঠন, একুশ মানবিকতা ও আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, হাটহাজারী শাখার ব্যবস্থাপক, শিক্ষক ও আবৃত্তিকার জনাব সৈয়দ আবদুল মাবুদ, বিচারক প্যানেলে, ধলই হাধুরখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ এনায়তুল হক, লেখক ও ইংরেজি প্রশিক্ষক সৈয়দ মো সাব্বির হোসাইন, শিক্ষার্থী ও আবৃত্তিকার মোঃ আরফাত তালুকদারের উপস্থাপনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর মানবিক অক্সিজেন সেবার সাংঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ। কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈয়দা আফিয়া জাহান সাফা, ২য় স্থান অধিকার করে মির্জাপুর পাহাড়তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈয়দ মেহেরাব আলম, ৩য় স্থান অধিকার করে মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আহনাফ ইবনে হাছান। এবং সকল প্রতিযোগীকে অংশগ্রহণ করার জন্য বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মাহফুজুর আলম। সভার অতিথি প্রধান শিক্ষক সাহাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কবি নজরুলকে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে গঠনমূলকভাবে এবং বাস্তবতার নিরিখে উপস্থাপন করে আগামী দিনের শিক্ষাক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। সভার সভাপতি সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, কবি নজরুল ইসলাম একজন সাম্যের কবি, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে এবং বাংলাদেশের ৭১’র মুক্তি সংগ্রামে বাংলাদেশী জাতিকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য সাহস যুগিয়েছিল। তিনি যেমন ব্রিটিশের দালালী করেনি, তেমনি ৭১’র সালের পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর অন্যায় অবিচারকেও সহ্য করেনি। সে জন্যই তিনি বিদ্রোহী কবি উপাধিতে ভূষিত। তাই কবি নজরুল বাংলা সাহিত্যে এক দীপ্তিময় নক্ষত্র বলে তিনি উল্লেখ করেন।